"Express Your Love for Nature" Blog

আলো দূষণ সত্যিই কি ভয়াবহ?

আলো দূষণ সত্যিই কি ভয়াবহ?

পরিবেশ দূষণ বলতে কেবলমাত্র বায়ূদূষণ, মাটি কিংবা পানিদূষণকে-ই মানুষ ভাবে। কলকারখানার ধোঁয়া, জমে থাকা বর্জ্য, প্লাষ্টিক কিংবা ভেসে থাকা তেলের চিত্রপট ভেসে উঠে মনে। তবে খুব কম লোকই আলোদূষণ সম্পর্কে...

বাংলাদেশে গৃহ-অভ্যন্তরীণ বায়ু দূষণ

ভূমিকা গৃহ-অভ্যন্তরীণ বায়ু দূষণ শতকরা ৪ ভাগ বৈশ্বিক রোগের জন্য দায়ী এবং বাংলাদেশে ৪র্থ প্রধান মৃত্যুঝুঁকির কারণ। [1, 2] কঠিন জ্বালানীর ব্যবহার, গতানুগতিক চুলায় রান্না করা, গৃহ অভ্যন্তরে ধূমপান করা,...

কেন প্রজাপতি এবং মথ গুরুত্বপূর্ণ ?

প্রজাপতি ও মথ আমাদের এই সবুজ প্রকৃতিকে তাদের উজ্জ্বল ডানার মাধ্যমে আরও রঙিন করে তোলে। তাদের উজ্জ্বল ডানার ঝাপটানি প্রকৃতির সৌর্ন্দযে একটি বিশেষ শোভা প্রদান করেন। প্রজাপতি এবং মথ একটি সুস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও সুস্থ্য বাস্তুসংস্থানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এরা সন্মিলিতভাবে পরাগায়ণ ও পেষ্ট কন্ট্রোল বা কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে প্রকৃতিতে মূল্যবান ভুমিকা পালন করে।

প্রজাপতির জীবনচক্র

প্রজাপতির জীবনচক্র কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়ে থাকে। প্রতিটি স্তরই আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন। প্রজাপতির জীবনচক্রে ডিম, শুয়োপোকা বা লার্ভা, পিউপা এবং পুর্নাঙ্গ প্রজাপতি এই চারটি ধাপ পরিলক্ষিত হয়। এ ধরণের জীবনচক্র মেটামরফসিস বা রুপান্তর নামেও পরিচিত।

প্রজাপতির বিভিন্ন ধরনের আচরণ

প্রজাপতিগুলিকে শক্তির জন্য সূর্য থেকে প্রাপ্ত শক্তির উপর নির্ভর করতে হয়। এজন্য প্রজাপতিগুলোকে  সূর্যের আলোতে পাখা প্রসারিত করে সূর্যের আলো থেকে শক্তি নিতে দেখা যায়। এভাবে তারা নিজেদের দেহের অভ্যন্তরীন তাপমাত্রা বাইরের পরিবেশের তাপমাত্রা থেকে বৃদ্ধি করতে পারে। এজন্যই হয়তো প্রজাপতির পাখার রং এতো উজ্জ্ব রঙিন হয়।

মৃত্যুঞ্জয়ী উদ্ভিদ

প্রাণশক্তিতে ভরপুর উদ্ভিদ নিজেদের টিকিয়ে রাখার জন্য কত রকম কৌশল অবলম্বন করে তা নিয়ে বিজ্ঞানিরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেও সবকিছু উন্মুক্ত করতে পারেননি। ৪০-৫০ হাজার বছর পর্যন্ত ঘাপটি মেরে পড়ে থাকা পদ্মের বীজ অনুকুল পরিবেশ পেলে অঙ্কুরোদগম হয়। এমন কথা শুনলে অনেকের ধারনা হবে এটাও আফ্রিকার মানুষ খেকো উদ্ভিদের মত শুধুই রোমাঞ্চকর ও চিত্তাকর্ষক গল্প।

কোভিড ১৯ ও আমাদের হাতিয়ারঃ কতটা প্রস্তুত পৃথিবী?

কোন রোগ কতটা ভয়ানক, তার ভয়াবহতা যাচাই করার অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপায় হল রোগবাহী জীবাণুর বেসিক রিপ্রোডাকশন নাম্বার নির্ণয় করা। একজন রোগাক্রান্ত রোগী তার মাধ্যমে আরো কতজনকে আক্রান্ত করতে পারে, সেই সংখ্যাই হল বেসিক রিপ্রোডাকশন নাম্বার, অথবা R0 (আর-নট)।