"Express Your Love for Nature" Blog

গন্ধগোকুল

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) বিবেচনায় পৃথিবীর বিপন্ন প্রাণীর তালিকায় উঠে এসেছে এই প্রাণীটি। আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রজাতির গন্ধগোকুলের বাস। বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।

উদ্ভিদের যৌনতা।

যৌন প্রজনন হল অধিকাংশ প্রানী এবং উদ্ভিদের প্রজনন পদ্ধতি। নারীর ডিম্ব বা ডিম্বাণু পুরুষের শুক্রকীট বা শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হয়ে নবজাতক সন্তানের জন্ম হয়। এই প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন পর্যায় জড়িত রয়েছে।উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ফুলেরা হল সপুষ্পক উদ্ভিদসমূহের যৌনাঙ্গ, যাতে সাধারনত পুরুষ ও স্ত্রী উভয় অংশ বিদ্যমান থাকে।

ইয়াং বাটারফ্লাই ইনথুসিয়াস্ট জিলানী

২০১৩ সালের শুরুতেই নটরডেম নেচার স্টাডি ক্লাব এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও নেচার স্টাডি সোসাইটি অব বাংলাদেশ(এনএসএসবি) এর চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ভূঁইয়া স্যারের সংস্পর্শে আসে জিলানী। এরপর থেকে মিজান স্যারের সহযোগিতায় প্রকৃতি নিয়ে কাজ করার সুযোগ পায় জিলানী। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হবার পর তার কাজের ক্ষেত্র আরও বৃদ্ধি বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং তারই ধারাবাহিকতায় কাজ করে প্রজাপতির লার্ভার হোষ্ট প্লান্ট নিয়ে ।

প্রজাপতির রঙ ছড়িয়ে শেষ হল প্রজাপতি মেলা ২০১৭

উড়লে আকাশে প্রজাপতি,প্রকৃতি পায় নতুন গতি -এ প্রতিপাদ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের কীটতত্ত্ব শাখার আয়োজনে ৮ম বারের মত জহির রায়হান মিলনায়তনে শনিবার সকাল ১০টায় প্রধান অতিথি হিসেবে মেলা উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মনজুরুল হক ।

প্রজাপতি মেলা ২০১৭ : রং-বেরঙের প্রজাপতি রং ছড়াবে আগামীকাল

উড়লে আকাশে প্রজাপতি,প্রকৃতি পায় নতুন গতি এ প্রতিপাদ্যে শনিবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে প্রজাপতি মেলা ২০১৭।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের কীটতত্ত্ব শাখার উদ্যোগে অষ্টম বারের মত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় এই প্রজাপতি উৎসব শুরু হয় সকাল ৯ টায়।

ফুল পরিচিতি

নাগকেশর, নাগেশ্বর ও নাগলিঙ্গম নিয়ে বিভ্রান্তি ঘটে অহরহ। নামের শুরুতে ‘নাগ’ শব্দটিই এই বিভ্রান্তির প্রধান কারণ। নাগকেশর ও নাগেশ্বর সাদা রঙের ফুল, মাঝখানে হলুদ কেশর উভয়েরই। তবে নাগেশ্বর আকারে বড় এবং কেশরের সংখ্যা অনেক বেশী, দেখতে কিছুটা ডিম পোচের মত ! নাগলিঙ্গমের রঙ ও আকারের লক্ষণীয় ভিন্নতা প্রথমোক্তদের থেকে একে আলাদা করতে সহায়ক।