Category: Articles

Environmental Governance – Perspective, Bangladesh

Environmental governance is a concept in political ecology or environmental policy related to identifying the elements needed to achieve sustainability and resilience. It is entwined with different aspects of sustainable development and is crucial not only to the well-being of the people but also for their very survival, particularly for those who depend on natural resources and the environment to manage livelihood.

Carbon Reduction for  Sustainable Development

Human activities in the name of development emit about 29 billion tons of Carbon Di-oxide per year, while volcanoes emit between 0.2-0.3 billion tons. At present, half of the CO2 released from the burning of fossil fuels remains in the atmosphere and is not absorbed by vegetation and marine water. CO2is the primary greenhouse gas emitted through human activities. CO2 is naturally present in the atmosphere as part of the Earth’s Carbon cycle (natural circulation of Carbon is in the atmosphere, oceans, soil, plants, and animals).

বিলুপ্তির পথে চশমাপরা ঽনুমান , চলছে গবেষণা

যুক্তরাজ্যের THE RUFFORD FOUNDATION এর আর্থিক অনুদানে বাংলাদেশের মহাবিপন্ন চশমাপরা  হনুমান নিয়ে  “Status and Conservation Initiative of Phayre’s Langur in Northeast Bangladesh” শিরোনামে  একটি গবেষনা প্রকল্প চলছে সাতছরি জাতীয় উদ্যান, লাউয়াছরা...

ভুট্টার রঙ ও ইতিহাস

আমরা রঙিন হতে চাই কাউকে রাঙাতে পছন্দ করি। আর কথায় আছে মনে রঙ থাকলে সব কাজে নাকি একাগ্রচিত্তে মনোনিবেশ করা যায়, যার ফলাফলও হয় রঙিন। আমাদের দেশে এক সময় ভুট্টা খুবই অবহেলিত একটি ফসল ছিল,কেউ এর চাষাবাদ করতো কিনা জানিনা, হয়ত বয়োজেষ্ট দের জিজ্ঞেস করলে এর সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে। তবে আজকাল আমাদের দেশে মানুষের খাদ্য ও পশু খাদ্য হিসেবে এর জনপ্রিয়তা বেড়েছে ফলে চাষাবাদও বৃদ্ধি পেয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই।

GREEN ECONOMY – Quarry of the time

Green economy is the Economics of the world concerning work, human needs, the Earth’s materials, and how they mesh most harmoniously with each other.  It is primarily about the “usage-value” and not the “exchange-value”; about the quality and not the quantity; about the regeneration of populations, communities, and ecosystems and not about the accumulation of money or materials.  

গন্ধগোকুল

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) বিবেচনায় পৃথিবীর বিপন্ন প্রাণীর তালিকায় উঠে এসেছে এই প্রাণীটি। আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রজাতির গন্ধগোকুলের বাস। বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।

উদ্ভিদের যৌনতা।

যৌন প্রজনন হল অধিকাংশ প্রানী এবং উদ্ভিদের প্রজনন পদ্ধতি। নারীর ডিম্ব বা ডিম্বাণু পুরুষের শুক্রকীট বা শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হয়ে নবজাতক সন্তানের জন্ম হয়। এই প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন পর্যায় জড়িত রয়েছে।উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ফুলেরা হল সপুষ্পক উদ্ভিদসমূহের যৌনাঙ্গ, যাতে সাধারনত পুরুষ ও স্ত্রী উভয় অংশ বিদ্যমান থাকে।

ফুল পরিচিতি

নাগকেশর, নাগেশ্বর ও নাগলিঙ্গম নিয়ে বিভ্রান্তি ঘটে অহরহ। নামের শুরুতে ‘নাগ’ শব্দটিই এই বিভ্রান্তির প্রধান কারণ। নাগকেশর ও নাগেশ্বর সাদা রঙের ফুল, মাঝখানে হলুদ কেশর উভয়েরই। তবে নাগেশ্বর আকারে বড় এবং কেশরের সংখ্যা অনেক বেশী, দেখতে কিছুটা ডিম পোচের মত ! নাগলিঙ্গমের রঙ ও আকারের লক্ষণীয় ভিন্নতা প্রথমোক্তদের থেকে একে আলাদা করতে সহায়ক।

ইলেকট্রিক ডেইজি

ছোট ছোট পেরিনিয়াল আগাছা গুলোকে দেখলে অবাক না হওয়ার কোন উপায় নেই। প্রকৃতির এই সৌন্দর্য উপভোগ করেনি এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম হবে। গরু ছাগল ও অন্যান্য তৃণ ভোজী প্রাণীরা এদের ছায়াও মাড়ে না। যথার্থ কারণেই এর নামকরণ করা হয়েছে ইলেকট্রিক ডেইজি। মারহাটিটিগা বা ইলেকট্রিক ডেইজ সম্পর্কে বিস্তারিত লিখেছেন আজহারুল ইসলাম।

গান পাউডার প্লান্ট

এদের ফুল সম্পূর্ণ প্রস্ফুটিত হওয়ার পর একটা গাছ উঠিয়ে যদি ঝাঁকি (shake) দেয়া যায় তাহলে পরাগ রেণু(Pollen grain) গুলো এমন ভাবে ছড়ায় যে, চারিদিকে ধোঁয়া ধোঁয়া হয়ে যায় আর এ কারণেই একে গান পাউডার প্লান্ট বলা হয়।

রক্তকরবী-মৃত্যুর হাতছানি

জন্মের পর থেকেই জেনেছি গাছ মানুষের বন্ধু হয়ে এদের জীবন উৎসর্গ করে দেয় মানব কল্যাণে। কিন্তু রক্তকরবীর আচরণ ঠিক তার বিপরীত। এদের পাতা,বাকল,ফুল ও ফল সহ উদ্ভিদের প্রতিটি অংশ বিষাক্ত। এই উদ্ভিদ থেকে নির্গত লেটেক্স সেবন করলে মৃত্যু নিশ্চিত।

অযৌন প্রজননে উদ্ভিদের বুলবিল

কিছু কিছু আলু লতা জাতীয় গাছের কাণ্ডে জন্ম নেয় সেই লতা গুলো সাধারণত অন্য গাছকে অবলম্বন করে উপরের দিকে উঠে যায় অর্থাৎ এরা ক্লাইম্বিং বা আরোহী উদ্ভিদ। আর এ জন্যই একে অঞ্চল ভেদে গৈছালু, গাছালু বলা হয়।

অবহেলিত আগাছা পেপারোমিয়া

একটু পর্যবেক্ষণ করলেই দেখবেন আপনার বাসায় ছায়া যুক্ত স্থানে রক্ষিত টবে পেপারোমিয়া হঠাৎ উঁকি ঝুঁকি দিচ্ছে। অবাকও হতে পারেন কারণ এই টবটি প্রায় ৪-৫ বছর যাবৎ প্রচণ্ড রোদে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। আপনি মাটি পরিবর্তন না করে অনেক দিনের পুরানো মাটিকে খুঁচিয়ে পানি দিয়ে নরম করে একটা ছায়া প্রিয় গাছ লাগিয়ে যখনই পরিচর্যা শুরু করলেন দেখা গেলো একদিন ভোরে পেপারোমিয়া আপনাকে দেখে হাসি দিচ্ছে! কেন হাসছে?

ব্রোকেন বোন ট্রি- মধ্যরাতের হরর

এই গাছকে অঞ্চলভেদে বান্দর গাছ বলে এর ফল ঝুলে থাকলে বান্দরের মতই দেখায়। এছাড়াও একে মধ্যরাতের হরর বলা হয়। বাংলায় এটি সোনা গাছ ও কানাই ডিঙ্গা নামে পরিচিত তবে এর নাম কেন সোনা হল তার সঠিক কারণ আমার জানা নেই। একে ইংরেজিতে ব্রোকেন বোন ট্রি বলা হয় কেননা এর ফল পেকে যদি গাছের নিচে পড়ে তাহলে মনে হয় যেন কোন প্রাণীর হাড় ভেঙ্গে পড়ে আছে। এদের ফুলের আকারের উপর নির্ভর করে একে ইন্ডিয়ান ট্রুপমেট ফুল বলা হয়।

Striped Tiger

এদের চূড়া বাদে সামনের দুই ডানার ওপরের বাকি অংশ দেখতে বাঘের মতো তাই ডোরাকাটা বাঘ বা বাঘবল্লা বলে নামকরণ করা হয়েছে । এই প্রজাপতির ওপর-পিঠ কমলা রঙের এবং শিরাগুলোর ওপর চওড়া কালো কালো টান দেখা যায়। সামনের ডানার শীর্ষের দিকে কিছুটা কালো জমির ওপর সাদা পটি আছে। এই কালো অঞ্চল সাদা পটি পেরিয়ে উপর দিকে চকোলেট রঙ দেখা যায়। পুরুষ প্রজাপতির নীচের পিঠে ডানার মাঝামাঝি কালো সাদায় মেশানো একটা ছোপ থাকে ।

উদ্ভিদের প্রতিরক্ষার কৌশল

প্রাণীদের মত উদ্ভিদ নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য বিভিন্ন রকম কৌশল ব্যবহার করে,কখনো এই কৌশল অন্য উদ্ভিদের ক্ষতির কারণ হয় আবার কখনো পারস্পরিক অসহযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে বা অন্য উদ্ভিদকে...

পলিপ্লয়েড উদ্ভিদ জবা

ভেবে দেখেছেন কি, সবুজ বৃন্তে লাল গোলাপ ও টুকটুকে লাল রক্ত জবা অথবা নীল আকাশের নীচে হলুদ-কমলা সূর্যমুখী কেন বেশী ভালো লাগে? জবা হল সেইরকম টুকটুকে লাল রঙের একটি ফুল যার রূপ মাধুর্য কোন দিক থেকেই অন্য ফুলের চেয়ে কম নয়। জবার বংশগতি নিয়ে আলোচনার পূর্বে এর প্রচলিত কয়টি জাতের পরিচয় তুলে ধরছি।

হিমলকুচি

হিমলকুচি (Blue Tiger) নিমফ্যালিডি (Nymphalidae) পরিবারের সদস্য এবং ডানায়িনি উপগোত্রের অন্তর্গত এক প্রজাতির মাঝারি আকারের প্রজাপতি । এটি নীল ডোরা বা নীল বাঘ নামেও পরিচিত । হিমলকুচির বৈজ্ঞানিক নাম Tirumala limniace । এরা যূথচর পরিযায়ী আচরণ করে থাকে ।

ইপিফাইটিক ফার্ন

জলে স্থলে বাতাসে পানিতে সমুদ্রের তলদেশে কোথায় নেই উদ্ভিদ সর্বত্র এরা বিরাজমান। কিছু উদ্ভিদ অন্য উদ্ভিদের উপর সরাসরি বা আংশিক ভাবে নির্ভরশীল। আবার কখনো হোস্ট উদ্ভিদকে একেবারেই মৃত্যুর কোলে ঠেলে...